নতুন টেকনলজি ফ্লাইং কার এর আবিষ্কার

নতুন টেকনলজি ফ্লাইং কার এর আবিষ্কার

ভবিষ্যতের প্রযুক্তির ক্ষেত্রে সব থেকে বেশি গবেষনা করা হচ্ছে পরিবহন ব্যবস্থা নিয়ে হাইপার লুক অথবা ইলেক্ট্রিক কার এর সাথে সব থেকে বেশি উচ্চারিত হচ্ছে উরন্ত গাড়ির এবং এটা নিয়ে বেশ জ়োড় দার গবেষনাও চলছে । কিছু দিন আগেই জার্মানিতে বের হয়েছে ফ্লাইং কার ।  এক দিকে গবেষনা চলছে হাইপার লুক নিয়ে অপর দিকে পন্য সর্বরাহের জন্য ব্যবহিত হচ্ছে ড্রোন আর শহর অঞ্চলে প্রচলিত গাড়ি এবং ব্যক্তি গত ভ্রমন এর জন্য ফ্লাইং কার । জার্মানিতে ফ্লাইং কার এর পরিক্ষন চালিয়ে যাচ্ছে স্টার্টআপ প্রতিষ্ঠান তাছারা আরো পরিক্ষা চালাচ্ছে বিশ্বের ছোট বড়ো অনেক প্রতিষ্ঠান ।  এর মধ্যে এধরনের কিছু প্রোটোটাইপ ও দেখা গেছে কন্তু এবারের তোরে এগিয়ে গেছে জার্মানির মিউনিকভিত্তিক স্টার্টঅপ লিলিয়াম । জার্মানির প্রযুক্তিতে তৈরী ফ্লাইং কার এর একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে প্রতিষ্ঠানটি । তাদের এই ফ্লাইং কারটি মানুষ পরিবহনে ব্যবহার উপযোগী । আর এছাড়াও জার্মানের আকাশে উড়তে দেখা গেছে টাক্সি । প্রতিষ্ঠানটির এই ফালিং কারটির নাম দেও্য়া হয়েছে লিলিয়াম জ়েট এটি বিশ্বের প্রথম পাচ আসনের উরুক্ষু যান এবং এই উড়ন্ত গাড়িটি ভার্টিকালি উঠা নামা করতে পারে । সাবাভিক ভাবেই এই উরন্ত যানটির শক্তির উতস হিসাবে কাজ করে জেট ইঞ্জিন এবং এটি কোন ধরনের কার্বন নির্গত করে না বলে জানিয়েছেন জার্মানির এই প্রতিষ্ঠানটি এবং তারা আরো জানিয়েছেন যে এই ফ্লাইং কার এর ইনঞ্জিন ২০০০ হার্জ সম্পন্ন  সভাবতই এক বারে ৫ জ়ন পাসেনঞ্জার বহন করতে সক্ষম।

যাই হোক এবার জানাযাক এই জার্মান কম্পানির রিসার্চারা কি বলেছেন,

সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী ড্যানিয়েল উইগ্যান্ড বলেছেন: “আমরা নগরীর উরোজান চলাচলকে বাস্তবে পরিণত করার দিকে আরও একটি বিশাল পদক্ষেপ নিচ্ছি। লিলিয়াম জেট নিজেই সুন্দর এবং এটি প্রথমবারের মতো আকাশে উঠতে দেখে আমরা শিহরিত হয়েছিলাম”

প্রতিষ্ঠাটির মতে, উল্লম্ব টেক অফ এবং অবতরণের জন্য ৩টি ইলেক্ট্রিক জেট ইঞ্জিনের জন্য এটিকে অন্য প্লেনের তুলনায় আরও সুরক্ষিত এবং সাশ্রয়ী করে তুলবে। একবার বাতাসে, ইনঞ্জিনে যে বিদ্যুতের দরকার হয় তা অন্যান্য বৈদ্যুতিক গাড়ির চেয়ে কিছুটা বেশি ।

আরো পড়ুনঃ

নতুন টেকনলজি ফ্লাইং কার এর আবিষ্কার নিয়ে বিশিষ্টোজনদের মতামত,


চিফ কমার্শিয়াল অফিসার রেমো গারবার বলেছিলেন যে ফ্লাইং কারটি হেলিকপ্টার এর তুলনায় প্রায় ২০% কম শব্দ করেছিল: "আপনি যে
শহরগুলিতে বাস করেন সেখানে এটি ব্যবহার করতে পারবেন, এটি সম্পূর্ণ বৈদ্যুতিক চালিত ... এটি খুব আলাদা” এর কারনে 
ট্রাফিক জাম এবং সাউন্ড পলিউশন কম হবে।"

ফ্লাইং কারমরগান স্ট্যানলির বিশ্লেষণ অনুসারে ২০৪০ সালের মধ্যেই ফ্লাইং কারটির বাজারের মূল্য $1.6 মিলিয়ন ডলার হতে পারে এবং অন্যান্য 
ইভিটিএলএস - বা বৈদ্যুতিক উল্লম্ব টেক অফ এবং ল্যান্ডিং ক্র্যাফট - বিশ্বজুড়ে বিকাশ লাভ করছে। উবার নিজেই এই বছরের শুরুর
দিকে একটি খুব ভিন্ন-রূপ ধারণার মডেল উন্মোচন করেছেন, যখন এয়ারবাস তার স্বায়ত্তশাসিত বাহানা নৈপুণ্য বিকাশ করছে। চীনা 
ড্রোন প্রস্তুতকারক এহং 2018 সালে হেলিকপ্টার আকারের ইভিটিএলে ভিআইপি নামে একটি যানবাহন বহন করতে যথেষ্ট আত্মবিশ্বাসী ছিলেন।

Emoo Blaze

Add comment